সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
Title :
কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে: মির্জা ফখরুল নারীদের অসম্মানকারীরা অমানুষ:জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বাঙালির ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি শুরু সামাজিক মাধ্যমে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত আমীর স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভিসি হিসেবে জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা নিয়োগ পেয়েছেন: ছাত্রদল সভাপতি রাকিব নির্বাচনে ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসছে আরও ১২ ভুয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’র গেজেট বাতিল পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকতায় ভাষা, সৌন্দর্য ও কৌশল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মুজিবনগরে বিএনপির নির্বাচনী অফিসের পাশ থেকে বোমা সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি’র ‘নির্বাচনী উঠান বৈঠক’

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা, কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার- মির্জা ফখরুল

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৩ Time View
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা, কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার- মির্জা ফখরুল
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা, কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার- মির্জা ফখরুল

নির্বাচনে আগে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারী) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গোটা দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্যে। কিন্তু আইনশৃঙ্খা পরিস্থিতি যেটা দাঁড়িয়েছে সেটাতে আমি খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারছি না। কারণ যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুন করা হচ্ছে; বিশেষ করে আমাদের দলের অনেক কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে, খুন করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি, ক্ষোভ জানিয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের খুনের ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে সে ধরনের একটা কার্যকর ব্যবস্থা সেটা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করবো সরকার এ ব্যাপারে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। সেই সাথে এসব ঘটনার যাতে পূণরাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে তারা আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।

উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের সফর সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান যে উত্তরবঙ্গে সফর করছেন বলা যেতে পারে- এটার তারে ব্যক্তিগত সফর। তিনি আসছেন নিজের দেশে বগুড়াতে, তারপর যাবেন রংপুরে যে জুলাই অভ্যূত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে তিনি দিনাজপুরে যাবেন তার নানীর কবর জিয়ারত করতে। সেখানে থেকে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে আসবেন, কারণ আপনারা জানেন এখানে কয়েকজন শহীদ আছেন, সেসব শহীদের কবর জিয়ারত করবেন এবং পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় গণ দোয়া মাহফিরে তারেক জিয়া অংশগ্রহণ নেবেন। এরপর তিনি পঞ্চগড়ে যাবেন, পঞ্চগড় থেকে তিনি পর্যায়েক্রমে কয়েকটি জেলা ঘুরে ঢাকায় ফিরবেন।

এটাকে বলা যেতে পরে তার একটি ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা সফর। একি সঙ্গে তার যে দায়িত্ব রয়েছে -গণঅভ্যুত্থানে যে সমস্ত শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সেটাই তিনি জানাবেন।

তারেক রহমান যখন ঢাকায় আসেন তখন নেতাকর্মীসহ লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের জমায়েত হয়েছিল তাকে সংবর্ধনা জানাতে। এখন যেহেতু তারেক রহমান গ্রামাঞ্চলে আসছেন সেহেতু স্বাভাবিক ভাবেই নেতাকর্মীরা অনেক বেশি উজ্জিবিত হবেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অতীতে দেখবেন প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান- অবহেলিত অঞ্চলগুলোকে তরান্বিত করার জন্য, শিল্পায়িত করার জন্য রাজশাহী ডিভিশনকে অথরিটি করেছিলেন বা বোর্ড করেছিলেন। তার ফলশ্রুতিতে অনেকগুলো শিল্প স্থাপিত হয়েছিল এবং উন্নয়নের কাজ অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছিল। সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে নিঃসন্দেহে আমাদের তারেক রহমান সাহেব সেভাবেই চিন্তা করবেন; ভবিষ্যতে যদি আমরা সরকারে আসতে পারি তাহলে অবশ্যই পিছিয়ে পরা অঞ্চলগুলোকে অনেক বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটের প্রভাব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরবেনা এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আরেকটি বিষয়ট যেটা আমি জোড় দিয়ে বলতে চাই- বিশ্ব বিদ্যালয়ের নির্বাচন এটা আপনার জাতীয় নির্বাচনে কখনো বা কোনদিনই প্রভাব ফেলেনি, আমরা আশা করি সেভাবে এবারও কোন প্রভাব ফেলবে না।

তিনি বলেন, আমাদের বিশেষ অনেক অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো তারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তারা কাজ করার সুযোগ পায়নি। বিশেষ করে আমাদের ছাত্রদল তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি, তাদেরকে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছিল। যার ফলে সেখানে এই ছাত্রসংগঠনগুলো বিশ্ব বিদ্যালয়গুলোতে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি।

গণভোট সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, গণভোটে আমরা নিজেরাই – একি দিনে গণভোট ও জাতীয় সংসদ ভোট চেয়েছিলাম, সেভাবেই হয়েছে এবং এই সংসদ নির্বাচনে যে সমস্ত সংস্কারগুলো নিয়ে গণভোট হচ্ছে – সেই সংস্কারগুলো আমরাই আপনার বহু আগে ২০১৬ সালে এবং ২০২৩ সালে ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা সেটা জাতির সামনে প্রস্তাব তুলে ধরেছি। সুতরাং সংস্কার তো একটা চলমান প্রক্রিয়া সেটা থাকবে, সেখানে না বলার কোন কারণ আছে সেটা আমার মনে হয়না।

নিরাপত্তার জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, যেহেতু কয়েকজনের ওপর আক্রমন হয়েছে, খুন হয়েছে; সে কারণে হয়তোবা আমাদের বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা সিকিউরিটির জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরছেন বা নিতে পারেন। আমি বিএনপির সেক্রেটারি জেনারেল কিন্তু আমার কোন ভ্যাস্ট নেই বা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট নেই।

এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 news.djtomalmix.com
Developed by: FAZLY RABBY
Tuhin